Life style

বিউটি কুইন মেহেজাবিন চৌধুরী লাইফস্টাইল ও জীবন কাহিনী

মেহেজাবিন চৌধুরী লাইফস্টাইল ও জীবন কাহিনী

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন। আজকের এই পোষ্টটিতে আমি আলোচনা করব বাংলাদেশের অতি সুপরিচিত নাট্যজগতের অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেত্রী এবং মডেল লাক্স সুপারস্টার এবং বিউটি কুইন মেহেজাবিন চৌধুরীকে নিয়ে।

তিনি বাংলাদেশের মধ্যে লাখো যুবকের ড্রিমগার্ল এবং জাতীয় ক্রাশ নামে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এবং মেহজাবিন চৌধুরী তিনি বাংলাদেশের মধ্যে একজন সাকসেসফুল টিভি কমার্শিয়াল অ্যাক্টারিস এবং মডেল। আপনাদের মূল্যবান সময় অপচয় না করে গাইজ এবার তাহলে চলেন এই পোষ্টটি শুরু করা যাক।

প্রথমে আমি মেহজাবিন চৌধুরীর বায়োগ্রাফি থেকে শুরু করি। এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী আমাদের সবার কাছে মেহজাবিন চৌধুরী নামেই বেশি পরিচিত। এবং বেশিরভাগ মানুষ তাকে মেহজাবিন নামে ডাকে।

তবে 99.99 শতাংশ মানুষের রায়টা কে ভুল নামে ডাকে। তার নামের উচ্চারণটা হবে কিছুটা এই রকম মেহজাবিন। অর্থাৎ লাস্টেরটা উচ্চারণ হবে না।

উচ্চারণটা হবে মেহজাবিন এবং এই কথাটি মেহজাবিন নিজেই তার একটি ইন্টারভিউ তে উল্লেখ করেছেন। এবং তার নাম মেহেজাবিন এর অর্থ হচ্ছে যার মুখ চাঁদের মতো উজ্জ্বল। আসলে কথাটা কিন্তু সত্য।

মেহেজাবিন চৌধুরীর লাইফস্টাইল

মেহেজাবিন চৌধুরী এর লাইফস্ট্যাইল।
মেহেজাবিন চৌধুরী এর লাইফস্ট্যাইল।

এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী ১৯৯১ সালের ৯ এপ্রিল বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এবং ২০২১ সাল অনুযায়ী মেহজাবিন চৌধুরীর বর্তমান বয়স ২৯ বছর মেহজাবিন চৌধুরী চট্টগ্রামের জন্মগ্রহণ করলেও, তাঁর বাবা ছিলেন একজন সরকারি চাকরিজীবী এবং তার বাবার কাজের জন্য তাদের পরিবারকে বাংলাদেশ থেকে সিদ্ধ হতে হয়েছিল।

আরব আমিরাতের দেশ ওমানে মেহজাবিন চৌধুরী তার ছোটবেলার শৈশব জীবন এবং তার কিশোরের জীবনের কিছুটা বয়স তাকে ওমান দেশে থেকেই কাটাতে হয়।

এবং সেখান থেকেই মেহেজাবিন চৌধুরীকে তার পড়ালেখার চালাতে হয়। যদি মেহজাবিন চৌধুরীর এডুকেশন লাইফের কথা বলা হয়। তাহলে ওমানের থাকাকালীন সময়ে ওমানে অবস্থিত।

ইন্ডিয়ান স্কুল সোহার এই স্কুলের তিনি পড়াশোনা করেছেন। এবং দীর্ঘ ১৬ বছর পরে তিনি কামব্যাক করেন বাংলাদেশ এবং লাক্স সুপারস্টার চ্যাম্পিয়নশিপে। তিনি অংশগ্রহণ করেন এবং ১০ হাজার কম্পিটিটর মেয়েদেরকে হারিয়ে তিনি ২০০৯ সালে লাক্স সুপারস্টার শোতে জয়ী হন।

বিউটি কুইন মেহেজাবিন চৌধুরীর জীবন কাহিনী

এবং বর্তমানে তিনি ঢাকার শান্ত মরিয়ম ইউনিভার্সিটি তে ফ্যাশন ডিজাইনিং এর ওপর পড়াশোনা করছেন। এবং মেহজাবিন চৌধুরী শারীরিক উচ্চতা অনুযায়ী তার মোট উচ্চতা 5 ফুট 3 ইঞ্চি এবং তার দেহের মোট ওজন অনুযায়ী তার দেহের ওজন 55 কেজি ।

মেহজাবিন চৌধুরী তার নেশনালিটি অনুযায়ী। তিনি একজন বাংলাদেশী এবং তার রিলিজিয়াস অনুযায়ী তিনি একজন মুসলিম এবং মেহজাবিন চৌধুরী অনেকগুলো ল্যাঙ্গুয়েজে কথা বলতে পারে।।

যেমন ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ, হিন্দি ল্যাঙ্গুয়েজ, আরবি ল্যাঙ্গুয়েজ, ফ্রান্স ল্যাঙ্গুয়েজ, উর্দু ল্যাংগুয়েজ, পাঞ্জাবি ল্যাঙ্গুয়েজ এবং বাঙ্গালী ল্যাঙ্গুয়েজ। যতই মেহজাবিন চৌধুরীর ক্যারিয়ার সম্পর্কে কথা বলা হয়।

তাহলে তার জীবনের শুরুর দিনগুলো অর্থাৎ দীর্ঘ 16 বছর ধরে তিনি ওমানে বসবাস করতেন। এবং এর মধ্যে ওমানের থাকাকালীন সময়ে তিনি তাঁর স্কুল জীবনে অনেক একটিভ স্টাইল ছিলেন। তিনি স্পোর্টস খুবই ভাল ছিলেন এবং খেলাধুলায়। তখন তার পেছনে ছিল স্কুল লাইফে থাকাকালীন সময়ে, তিনি বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলায় অনেক ভালো ছিলেন।

যেমন বাস্কেটবল, ভলিবল, ফুটবল তারপর লংজাম্প এবং তিনি খুবই ভালো মানের রেসার ছিলেন। যেহেতু তিনি খুবই ভালো মানের রেসার ছিলেন। তখন তিনি এটা মনে করতেন যে দেশে ফিরে তিনি নিজের দেশকে রিপ্রেজেন্ট করবেন।

রেসিং এর দিক থেকে ডিফারেন্ট কম্পিটিশনের যেমন এশিয়ান গেমস অলিম্পিক গেমস ইত্যাদি ইত্যাদি এর মধ্যেই আবার তিনি একটি মডেলিং এবং নাচতে খুব বেশি পছন্দ করতেন। তিনি এখনও নাচতে পছন্দ করেন এবং এটা বলে দাবি করেন যে, তিনি এখনও নাচ শিখবেন। দেশে ফেরার পর ও মেহজাবিনকে অনেক স্ট্রাগল করতে হয়েছে।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা গিয়ে বারবার অডিশন দিতে হয়েছে তাকে। এর মধ্যেই অনেক কিছু শিখছেন, তিনি নিজের ভুলগুলো শুধরে প্রতিদিনই তিনি নিজেকে ইম্প্রুভ করার চেষ্টা করতেন। একদিক থেকে তার ফ্যামিলি তাকে অনেক সাপোর্ট করতো। ফাইনালি ২০০৯ সালে লাক্স সুপারস্টার চ্যাম্পিয়নশিপ চ্যালেঞ্জে পার্টিসিপেট করেন তিনি।

১০ হাজার মেয়েদেরকে হারিয়ে তিনি ওই চ্যাম্পিয়নশিপ চ্যালেঞ্জ জিতে যান। এবং সেখান থেকেই তাঁর ক্যারিয়ারের শুরু হয়। তারপর তিনি ২০১০ সালের জানুয়ারিতে অভিনয় জগতে পা রাখেন। এবং তার প্রথম নাটক তুমি থাকো সিন্ধুপারে নাটক টি প্রকাশিত হয়। তাঁর অসাধারণ মন জয় করা অভিনয় এবং কিউট লোকদের জন্য জনগণের মন কেড়ে নেন। তিনি এবং তিনি জনগণের উপহার দেন একের পর এক।

নাটক তিনি এই পর্যন্ত অনেকগুলো নাটকে অভিনয় করেছেন। এবং আমি তার অভিনয় কিন্তু কিছু কিছু উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো নাম বলি যেমন বড় ছেলে আমার বউ, যদি তুমি জানতে , টম এন্ড জেরি পার্টনার , বিউটিফুল সানগ্লাসের এবং ফাস্ট লাভ ।

গায়েস আপনারা সবাই আমাকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। যে এই নাটকগুলোর মধ্যে আপনাদের কাছে কোন নাটকটি সবথেকে বেশি ভালো লাগে। বন্ধুরা আপনারা সবাই একটা বিষয় খেয়াল করেছেন। যেখানে মেহজাবিন চৌধুরী কে ছিলেন যে তিনি স্পোর্ট এর মাধ্যমে রেসিংয়ের দিক থেকে নিজের দেশকে রিপ্রেজেন্ট করবেন।

সেখানে তিনি হয়ে গেলেন বাংলাদেশের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেত্রী। মেহজাবিন চৌধুরী অভিনয় আপনাদের সবার কাছে কেমন লাগে আপনাদের মতামত কমেন্ট করে জানাতে পারেন। এবং অনেকেই এটা মনে করেন যে তানজিন তিশা তিনি মেহজাবিন এর থেকেও অনেক ভালো অভিনেত্রী  আপনাদের কাছে কি মনে হয় আপনাদের মতামত করে জানাতে পারেন।

যদি মেহজাবিন চৌধুরীর প্রফেশন সম্পর্কে কথা বলা হয়। তাহলে তার প্রফেশন অনুযায়ী সর্বপ্রথম তিনি একজন অ্যাক্টর। তিনি একজন মডেল, তিনি একজন ইউটিউবার এবং তিনি একজন সোশ্যাল মিডিয়া ইনসুলেন্স। আর যদি মেহজাবিন চৌধুরীর দেওয়ার কথা বলা হয়।

তার পরিবারে তাকে মিলিয়ে তারা তিন বোন এবং দুই ভাই এবং তার মা এবং তার বাবা রয়েছেন। মেহজাবিন চৌধুরীর পিতার নাম মহিউদ্দিন চৌধুরী এবং তার পিতা একজন বাংলাদেশ বিমানের গভারমেন্ট এমপ্লয়ি ছিলেন এবং মেহজাবিন চৌধুরীর মায়ের নাম গাজালা চৌধুরী।

তার পরিবারের সদস্য সংখ্যা ১৭ জন। মেহজাবিন চৌধুরী রিলেশনশিপের কথা বলা হলে তার ফেসবুক প্রোফাইলে রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস দেওয়া। তিনি এখনো সিঙ্গেল এবং তিনি কয়েক বছরের মধ্যে বিয়ে করে ফেলবেন।

তবে সম্প্রতি মেহেজাবিনকে বাংলাদেশের পরিচালক প্রযোজক এবং চিত্রনাট্যকার আদনান আল রাজীবের সাথে একটি শপিং মলের দেখা গিয়েছে। এবং অনেকেই এটা বলে দাবি করেন যে তাদের মধ্যে নাকি সম্পর্ক রয়েছে।

তবে আমি কোন হান্ডেট পার্সেন্ট সঠিক ইনফরমেশন না পাওয়ায় এই ব্যাপারে তেমন সঠিকভাবে বলতে পারছিনা।

এবার তাহলে আপনাদের সবাইকে মেহজাবিন চৌধুরীর কার কালেকশন গুলো সম্পর্কে বলি। বন্ধুরা মেহজাবিন চৌধুরী সত্যি যে তার কাছে কোনো পার্সোনাল কার রয়েছে।

কিংবা তিনি কোন কার ব্যবহার করেন কিনা এই ধরনের কোন হান্ডেট পার্সেন্ট সঠিক ইনফরমেশন পাওয়া যায়নি। এটার জন্য আমি দুঃখিত আপনাদের সবার কাছে। বন্ধুরা যদি মেহজাবিন চৌধুরীর হাট সম্পর্কে কথা বলা হয় তাহলে তার হাউজ এর ফুল রিভিউ পাওয়া যায়নি।

এবং মেহজাবিন চৌধুরি যেহেতু তিনি একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী। এই জন্য তিনি বিভিন্ন জায়গার হোটেলস গুলোতেই বেশি সময় কাটিয়ে থাকেন। যার জন্য কোনটা যে তার আসল বাড়ি সেটা চেনাই মুশকিল। এটার জন্য আমি দুঃখিত আপনাদের সবার কাছে ।

তবে বর্তমানে তিনি ঢাকাতে থাকেন, যদি মেহজাবিন চৌধুরীর ইনকামের কথা বলা হয় তাহলে আসলেই যে তিনি প্রতি মাসে কত টাকা আয় করেন। সেটা তো একমাত্র মেহজাবিন চৌধুরী ভালো জানেন বা ভালো বলতে পারবেন। তিনি বিভিন্ন দিক থেকে আয় করেন।

যেমন বিভিন্ন অ্যাডভার্টাইজমেন্ট থেকে বিভিন্ন নাটকে অভিনয় করে বিভিন্ন পণ্যের ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সাইট থেকে ইত্যাদি।

তবে একটা রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে তিনি প্রতিটি নাটকের জন্য ৪০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে এক লক্ষ টাকার কাছাকাছি পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন। যদি মেহজাবিন চৌধুরীর কথা বলা হয় তাহলে তার সম্পর্কে এমন কোথাও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন নাই তিনি। এটার জন্য আমি দুঃখিত আপনাদের সবার কাছে বন্ধুরা।

আমাদের শেষ কথা

আশাকরি আপনারা বিউটি কুইন মেহেজাবিন এর সম্পর্কে সকল তথ্য বিস্তারিতভাবে পেয়েছেন। ভালো লাগলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button